ফরেক্স ট্রেডিংঃ ফরেক্স কি? ফরেক্স ট্রেডিং এক্সপ্লেইনড

ফরেক্স ট্রেডিংঃ ফরেক্স কি?

FOREX অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। যখনই আমাদের ভিন্ন দেশ থেকে কিছু ক্রয় বা ভিন্ন দেশে কিছু বিক্রয় করার প্রয়োজন হয় তখনই আমাদের সেই দেশের মুদ্রা ক্রয় এর প্রয়োজন হয় যার ফলেই আমাদের মুদ্রার বিনিময়ে সেই দেশের মুদ্রা আমরা ক্রয় করি। এই প্রক্রিয়াটিই হল ফরেক্স।

যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় এর সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকেন তাদের বর্ননা করতে ফরেক্স ট্রেডিং শব্দের ব্যবহার করা হয়, প্রায়ই এর মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করা বা আয় করা।

যাদের কারেন্সি ক্রয় বা বিক্রয় এর মূল লক্ষ্য হল কারেন্সির মূল্য বৃদ্ধি বা কমার উপর নির্ভর করে লাভ করা তাদের মূলত স্পেকুলেটর বলা হয়। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন হেজ ফান্ডগুলো যারা মূলত তাদের নেয়া পজিশন এর নিরাপত্তার স্বার্থে কোন ঘটনায় কারেন্সির অপ্রত্যাশিত প্রাইজ মুভমেন্ট থেকে তাদের একাউন্টকে নিরাপদ রাখার জন্য।

কোন রিটেইল ট্রেডিং প্লাটফর্ম এ একজন একক বিনিয়োগকারীর ফরেক্স ট্রেডার বলা হয়, একটি ব্যাংক এর ট্রেডার তাদের প্রতিষ্ঠান এর ট্রেডিং প্লাটফর্ম এর ব্যবহার করে থাকেন ট্রেড করার জন্য এবং হেজ ফান্ড প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের নিজস্ব ফান্ড কখনো নিজেদের ঝুঁকিতেই ট্রেড করে থাকেন আবার কখনো কোন ব্যাংককে অথবা কোন ফান্ড ম্যানেজার দিয়েও ট্রেড করিয়ে থাকেন।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ ফরেক্স মার্কেট

ফরেন এক্সচেঞ্জ মার্কেট (বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় মার্কেট) বা সংক্ষেপে ফরেক্স ( এফএক্স), এটি একটি বিকেন্দ্রীকরণ মার্কেট প্লেস যেখানে ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রার ক্রয় বা বিক্রয় হয়। কোন একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় বিনিময় এর স্থান এর বদলে এটি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে বা সকল জায়গা থেকে এর বাই সেল এ অংশ নেয়া যায়।

এগুলো জানা ব্যাতিরেকেই আপনি হয়তো ইতিমধ্যেই বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের সাথে জড়িত হয়েছেন, কোন আমদানিকৃত পন্যের অর্ডার করতে যেয়ে যেমন কাপড়, জুতা বা কোন ইলেকট্রনিকস পন্য। এছাড়াও কোন দেশে ভ্রমণ করতে যেয়ে সেই দেশের মুদ্রা ক্রয়।

ফরেক্স মার্কেট এর প্রতি ট্রেডারদের আকর্ষণ এর মূল কারনগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

ফরেক্স মার্কেট এর বিশাল আকার
ট্রেড করার জন্য প্রচুর কারেন্সি রয়েছে।
ভিবিন্ন স্তর এর মার্কেট ভোলাটিলিটি
ট্রান্সসেকশন এর ব্যয় কম
সপ্তাহে পাচ দিন ২৪ ঘন্টাই ট্রেডিং ওপেন থাকে।

এই আর্টিকেল এ সকল ধরনের ট্রেডারদের জন্য, আপনি একেবারেই নতুন ট্রেড শুরু করুন অথবা ট্রেড করছেন এমন যারা তাদের জ্ঞানভান্ডারকে সম্বৃদ্ধ করতে। এই আর্টিকেল ফরেক্স মার্কেট সম্পর্কে দৃঢ় ভিত্তি তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ প্রতিটি কারেন্সি পেয়ার এর দুটো দিক থাকে

ফরেক্স মার্কেট এর কয়েকটি ব্যতিক্রমী বিষয় এর মধ্যে একটি হচ্ছে যেভাবে প্রাইজগুলো উল্লেখ্য করা হয়। কারেন্সি হচ্ছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মূল ভিত্তি, কোন একটি কারেন্সির প্রাইজ প্রকাশ করার জন্য অবশ্যই অন্য আরেকটি কারেন্সির ব্যবহার করা প্রয়োজন। যার ফলে একটি আপেক্ষিক মূল্যায়ন মেট্রিক তৈরি হয় যা প্রথমে শুনতে ভিন্ন মনে হলেও ধীরে ধীরে এটি স্বাভাবিক হয়ে যায়, বিশেষ করে যারা দ্বিপাক্ষিক সফর বা বানিজ্যের সাথে জড়িত রয়েছেন তারা সহজে বুঝতে পারবেন।

ফরেক্স ট্রেডিং এ পেয়ার এর ফলে ট্রেডারগন অধিক সুবিধা লাভ করে কারন একজন ট্রেডার চাইলে তাদের পছন্দের কারেন্সি পক্ষে বাই বা সেল যে কোন ভাবেই অংশগ্রহণ করতে পারেন।

উদাহরণ হিসেবে ব্রিটিশ পাউন্ড কে বিবেচনা করা যাক, একজন ট্রেডার এর ব্রিটেনের অর্থনিতীর উপর আশাবাদী যার ফলে তিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য ব্রিটিশ পাউন্ড এর পক্ষে অবস্থান নিতে চান ৷ একই সময়ে তিনি আবার আমেরিকার অর্থনিতির উপরও ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন, কিন্তু ইউরোপিয়ান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তার কাছে নেতিবাচক মনে হয় এক্ষেত্রে সেই ট্রেডারকে বাধ্যতামূলক ভাবে ইউএসডলার এর বিপরীতে ব্রিটিশ পাউন্ড কেনার প্রয়োজন নেই, তিনি চাইলে EUR/GBP ইয়োরো/ ব্রিটিশপাউন্ড পেয়ার এ সেল নেয়ার মাধ্যমে ব্রিটিশ পাউন্ড এ লং অবস্থান নিতে পারেন।

যা বিনিয়োগকারীদের বা ট্রেডারদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করে, যার ফলে তারা ইউএস ডলার এর বিপক্ষে অবস্থান না নিয়েও ব্রিটিশ পাউন্ড এর পক্ষে ট্রেড নিতে পারে যেখানে ইউরোর বিপরীতেও অবস্থান নিতে পারে। যা এই মার্কেট এর অত্যন্ত চমৎকার একটি বৈশিষ্ট্য।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ বেস কারেন্সি বনাম কাউন্টার কারেন্সি

যে কোন ফরেক্স পেয়ার এর উদ্বৃতি গুলোর গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হল এর প্রচলন। মূদ্রা জোড় এর প্রথম কারেন্সি হল বেস কারেন্সি এবং মূলত এই মূদ্রারই প্রাইজ উল্লেখ্য করা হয়। মূদ্রা জোড় এর দ্বিতীয় কারেন্সিকে বলা হয় কাউন্টার কারেন্সি । এই কারেন্সির মাধ্যমেই পেয়ার এর বেস কারেন্সির প্রাইজ নির্ধারণ করা হয়।

উদাহরণ হিসেবে GBP/USD পেয়ার কে বিবেচনা করা যাক, গ্রেট ব্রিটিশ পাউন্ড হল এই পেয়ার এর প্রথম কারেন্সি, যার অর্থ হল GBP/USD কারেন্সি পেয়ার এ বেস কারেন্সি হল ব্রিটিশ পাউন্ড।

এই পেয়ার এর দ্বিতীয় কারেন্সি হলো ইউএসডলার এবং এই কারেন্সির উপর ভিত্তি করেই GBP/USD কারেন্সি পেয়ার এ ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

যদি এই পেয়ার এর উল্লেখিত মূল্য হয় ১.৪০০০, যার মানে হলো ১ ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য হলো ১.৪০ ইউএস ডলার। যদি এই পেয়ার এর প্রাইজ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৪৫ ইউএস ডলার হয় যার অর্থ হলো ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে একইভাবে যদি কমে তাহলে ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য কমেছে।

যদি কোন ফরেক্স ট্রেডার ব্রিটিশ পাউন্ড এর উপর ইতিবাচক হয় তাহলে এই কারেন্সি পেয়ার এ বাই করে( লং এ অবস্থান নিতে পারেন) এবং প্রাইজ বৃদ্ধির আশা করতে পারেন। যদি পেয়ার এর মূল্য বৃদ্ধি পায় তাহলে তিনি লাভবান হবেন। একইভাবে যদি ইউএস ডলার এর প্রতি ইতিবাচক হন তাহলে তিনি এই পেয়ার সেল করে ( বা শর্ট এ অবস্থান নিতে পারেন) এবং প্রাইজ কমলে প্রফিট করতে পারবেন।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ- ফরেক্স মার্কেট এর বিস্তারিত

অন্যান্য সকল মার্কেট এর মতই ফরেক্স মার্কেটও সাপ্লাই এবং ডিমান্ড দ্বারা চালিত হয়। একেবারে সহজ একটা উদাহরণ হিসেবে,গ্রেট ব্রিটেনে নাগরিকদের কাছে যদি ব্রিটিশ পাউন্ড এর চাহিদার তুলনায় ইউএস ডলার এর চাহিদা অধিক থাকে তাহলে তারা তাদের পাউন্ড এর বিনিময়ে ডলার ক্রয় করবেন। যার ফলে ডলার এর মূল্য বৃদ্ধি পাবে এবং পাউন্ড এর মূল্যের পতন হবে। জেনে রাখা প্রয়োজন এই চাহিদার বিপরীতে এই লেনদেন শুধুমাত্র GBP/USD কেই প্রভাবিত করতে পারে এবং অন্যান্য কারেন্সি যেমন ওই একই সময়ে সুইস ফ্রান্ক এর বিপরীতে ইউএস ডলার এর প্রাইজ কমতেই পারে।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ এই প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ হয় কি দ্বারা?

বাস্তবিক অর্থে উপরের উদাহরণটি অনেকগুলো বিষয়ের এর মধ্যে শুধুমাত্র একটি যা দ্বারা মার্কেট প্রভাবিত হতে পারে। এছাড়াও যে বিষয়গুলো কারেন্সির প্রাইজ এর উপর প্রভাব ফেলে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বিস্তৃত সামষ্টিক অর্থনীতিক ইভেন্ট’স গুলো যেমন প্রেসিডেন্ট ইলেকশন, দেশের নির্দিষ্ট কিছু অর্থনৈতিক বিষয় যেমন ইন্টারেস্ট রেট, জিডিপি,বেকারত্বের সংখ্যা, মূদ্রাস্ফীতি, লোন এবং জিডিপির অনুপাত। প্রফেশনাল ট্রেডারগন এই সকল ইভেন্ট’স গুলো এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ইভেন্ট যেগুলো মার্কেটকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোর সাথে আপডেট থাকতে অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডার এর ব্যবহার করেন।

ইন্টারেস্ট রেট দীর্ঘ সময়ের জন্য ফরেক্স মার্কেট এর প্রাইজকে প্রভাবিত করতে পারে। এর সাথে কোন কারেন্সি দীর্ঘ সময়ের জন্য হোল্ড করা হবে তা বাছাই এ সরাসরি প্রভাব ফেলে।

ফরেক্স এর জনপ্রিয়তার কারণ কি?

ফরেক্স মার্কেট এ একইসাথে বৃহৎ প্রতিষ্ঠান, সরকার, রিটেইল ট্রেডার এবং বিনিয়োগকারীদের একটি মুদ্রার সাথে অন্য মুদ্রার বিনিময় করার সু্যোগ করে দেয় এবং ফরেক্স মার্কেট এর ‘মূল’ ভিত্তি হল আন্তঃব্যাংক মার্কেট, যেখানে লিকুইডিটি প্রদানকারীরা একে অপরের মধ্যে ব্যবসা করে।

বৈশ্বিক ব্যাংকগুলো এবং লিকুইডিটি প্রদানকারীদের মধ্যে ট্রেড হওয়ার ফলেই ফরেক্স ট্রেড সপ্তাহে পাঁচ দিন ২৪ ঘন্টাই ট্রেড করার সু্যোগ রয়েছে। এশিয়ার ব্যাংকগুলো যখন ক্লোজ হয়ে যায় তখন ইয়োরোপীয়ান ব্যাংকগুলো সক্রিয় হয়, তারা যখন ক্লোজ হয় তখন আমেরিকার ব্যাংকগুলো তাদের কার্যক্রম শুরু করে। একটি সম্পূর্ণ ট্রেডিং দিন সম্পন্ন হয় যখন আমেরিকান সেশন শেষে এসিয়ান সেশন পরবর্তী দিনের জন্য শুরু হয়।

ফরেক্স মার্কেটকে যে কতগুলো বিষয় ট্রেডারদের কাছে আকর্ষণীয় করেছে তার মধ্যে একটি হল প্রায় সকল সময়েই পর্যাপ্ত লিকুইডিটি থাকে যাতে করে যে কোন সময়ই ট্রেড এ প্রবেশ বা ট্রেড থেকে এক্সিট করার সু্যোগ রয়েছে।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ কিভাবে এটি কাজ করে?

এটি অন্যান্য সকল মার্কেট এর মতই কাজ করে যদি আপনি মনে করেন যে কোন কারেন্সির মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে, তাহলে আপনি সেই কারেন্সিটি ক্রয় করতে পারেন। এটি ফরেক্সে লং নামে পরিচিত। আপনি যদি মনে করেন যে কোন কারেন্সির মূল্য কমবে তাহলে তা বিক্রি করতে পারেন। এটি ফরেক্স এ শর্ট নামে পরিচিত।

ফরেক্স ট্রেডিংঃ প্রধান অংশগ্রহণ কারীগন

ফরেক্স মার্কেট এ সাধারণত দুই ধরনের ট্রেডার রয়েছে হেজার এবং স্পেকুলেটর। যারা হেজিং করেন তারা সকল সময় যে লক্ষ্যে ট্রেড করেন তা হলো এক্সচেঞ্জ রেট এর অতিরিক্ত মুভমেন্ট এড়িয়ে চলা। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে চিন্তা করুন আপেল এর মত বড় কোম্পানি এবং যাদের পৃথিবীর বহু দেশের সাথে বানিজ্য রয়েছে তারা ফরেক্স মার্কেট এ হেজার এর ভূমিকা পালন করে। যাদের উদ্দেশ্য লাভ করা নয়, মূদ্রার অতিরিক্ত রেট পরিবর্তন যেন তাদের ক্ষতির কারণ না এই জন্যই তারা এই মার্কেট এ অংশগ্রহণ করে।

অন্যদিকে স্পেকুলেটরগন সকল সময় এই লক্ষ্যেই ট্রেড করেন যে মুদ্রার বিনিময় হার এর পরিবর্তন থেকে যেন তারা লাভ করতে পারেন। তারা ঝুঁকি নেয় প্রফিট লাভ এর আশায়, এর মধ্যে বড় ট্রেডিং ফার্ম, বড় ব্যাংক, এবং রিটেইল ট্রেডার গনও রয়েছেন।

একটি ফরেক্স প্রাইজ কোট কিভাবে পড়তে হয়

সকল ট্রেডারগনকেই এটি বুঝতে হবে যে কিভাবে একটি ফরেক্স কোট পড়তে হয়, কারন এর উপর নির্ভর করেই আপনি কখন ট্রেড এ এন্ট্রি নিবেন এবং এক্সিট করবেন তা নির্ধারণ করতে হবে। নিম্নের কারেন্সি কোট টি লক্ষ্য করুন, GBP/USD- 1.31506 এই পেয়ার এর প্রথম কারেন্সি হল গ্রেট ব্রিটিশ পাউন্ড , এটিই হল এই পেয়ার এর বেস কারেন্সি, সুতরাং এই পেয়ার এর সেকেন্ডারি কারেন্সি হল ইউএস ডলার যেটি বেস কারেন্সির প্রাইজ নির্ধারণ করতে ব্যবহার হয় একে কোট কারেন্সি বলে।

অধিকাংশ ফরেক্স মার্কেট পেয়ার এ দশমিক এর পর পাচ সংখ্যা দিয়ে প্রাইজ অফার করে কিন্তু প্রথম চার সংখ্যাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ। দশমিক এর পূর্বে বা বা পাশে যে নাম্বার রয়েছে তা হলো কাউন্টার কারেন্সির এক ইউনিট এই উদাহরনে তা হচ্ছে ইউএস ডলার এবং এর ভ্যালূ হচ্ছে $1. তার পরের দুই সংখ্যা হল সেন্ট, এক্ষেত্রে হচ্ছে ৩১ ইউএস সেন্ট। তৃতীয় এবং চতুর্থ সংখ্যা দিয়ে এক সেন্ট এর ভগ্নাংশ বুঝায় যা পিপস নামে পরিচিত।

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, লক্ষ্য রাখতে হবে যে দশমিক এর পর চতুর্থ সংখ্যাকে “পিপ” বলা হয়। এখন এই পেয়ার এ ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য যদি বৃদ্ধি পায় ১০০ পিপস, তাহলে নতুন প্রাইজ হবে 1.32506 যার মানে দ্বারায় এখন এক পাউন্ড কিনতে আগ্রহী হলে পূর্বের চেয়ে অধিক ইউএস ডলার খরচ করতে হবে।

উপরের উল্লিখিত বিড প্রাইজ পড়ার অন্য আরেকটি পদ্ধতি হলো, এক ব্রিটিশ পাউন্ড এর মূল্য ডলার এর বিপরীতে হল, $1 ইউএস ডলার, 32 সেন্ট,50 পিপস এবং এক পিপ এর ৬/১০ ভগ্নাংশ।

পিপস কি?

পিপস এর বিস্তারিত “পারসেন্টিজ ইন পয়েন্ট” এবং এটিই হল কারেন্সি পেয়ার এর প্রাইজ পরিবর্তন এর ক্ষুদ্রতম একক। কারেন্সি পেয়ার এর বিপরীত কারেন্সির উপর নির্ভর করে পিপ এর ভ্যালূতে ভিন্নতা হয়। যে কারেন্সি পেয়ার এ ইউএস ডলার কাউন্টার কারেন্সি থাকে বা প্রাইজ কোট এর দ্বিতীয় কারেন্সি,১ পিপ এর পরিবর্তন এ ১০,০০০ লট এর কারেন্সি ক্রয় বা বিক্রয় এর ক্ষেত্রে লাভ বা লোকসান প্রায় ১ ডলার, , যার মানে হল ১০০০ লট এর জন্য ১০ সেন্ট, ১০০০০০ লট এর জন্য ১০ ডলার।

সুতরাং কোন বিনিয়োগকারী যদি ১০০০ লট এর GBP/USD ক্রয় করে প্রতি পিপ পরিবর্তন এ লাভ বা লোকসান এর পরিমাণ হবে ১০ সেন্ট। তিনি যদি ১০০০০ লট ক্রয় করেন তাহলে একই সময়ে তিনি পাবেন ১ ডলার প্রতি পিপ এর পরিবর্তন এ। এবং ১০ ডলার প্রতি পিপ এর পরিবর্তন এ যদি ১০০০০০ লট এর ক্রয় এ।

একই কারেন্সি পেয়ার এ যদি কোন ট্রেডার GBP/USD এ লং এ অবস্থান করেন এবং ৫০ পিপস পক্ষে যায় তাহলে লট এর উপর নির্ভর করে প্রফিট এর যে পরিবর্তন হবে তা নিম্নরুপ। যদি তিনি ১০০০ লট ক্রয় করতেন তাহলে ৫০ পিপস পরিবর্তন এ তার প্রফিট হবে ৫ ডলার, ($.1050=$5.00); ১০০০০ লট এ প্রফিট হবে ৫০ ডলার , ($150=$50)। কিন্তু একই সময়ে তিনি যদি ১০০০০০ লট নিয়ে ট্রেড করতেন তাহলে তার আয় হত ৫০০ ডলার ($10*50= $500)

পিপ এর খরচ বা ভ্যালূ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরেক্স ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে, এর উপর নির্ভর করে স্প্রেড এর, একাউন্ট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, লাভ লোকসান এর পরিমাণ নির্ধারিত হয়, তাই ট্রেডারদের জন্য তাদের পিপস এর পরিমাণ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও অধিক জানার জন্য আমাদের পিপস কি এবং ক্যালকুলেশন সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেল এ বিস্তারিত।

ডেমো একাউন্ট এ ফরেক্স ট্রেডিংঃ প্রথমেই ক্যাশ ঝুঁকি নেয়ার পূর্বে অভিজ্ঞতা অর্জন।

যে কোন মার্কেট সম্পর্কে শিখতে, জানতে বা অভিজ্ঞতা অর্জন এর জন্য সবচেয়ে অধিক যে ঝুঁকি রয়েছে তা এক্হবজমলো শিখতে যেয়ে যে লোকসান হতে পারে তার সম্ভাবনা। আপনি বাই বা সেল যাই করেন না কেন লাভ এর সাথে সাথে লোকসান এর সম্ভাবনাও থাকে, কিন্তু একজন নতুন ট্রেডার যখন লোকসান এর মুখোমুখি হন তখন তিনি বিচলিত হয়ে আরও অধিক ভূল করতে পারেন যা তার সম্পূর্ণ পূজি হারানোর কারন হতে পারে। যদিও এতে অভিজ্ঞতা অর্জন হয় কিন্তু এই ব্যয়বহুল অভিজ্ঞতা অর্জন অনেককেই ট্রেডিং ক্যারিয়ার গঠনের জন্য বাধা হতে পারে।

কিন্তু অনেক ফরেক্স ব্রোকারগন ডেমো একাউন্ট ওপেন করে ট্রেড করার সু্যোগ প্রদান করেন যাতে করে আপনি আপনার অর্থ বিনিয়োগ করে অভিজ্ঞতা অর্জন না করেও ভার্চুয়াল টাকার মাধ্যমে মার্কেট এর পরিচিত, প্লাটফর্ম সম্পর্কে ধারণা লাভ,ফরেক্স ট্রেডিং এর ভিবিন্ন বিষয় সম্পর্কে নিজের টাকায় ঝুঁকি না নিয়েও অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব হয়।

ডেমো একাউন্ট রিয়েল একাউন্ট এর সকল সুবিধাধী লাভ করা যায় শুধুমাত্র লাভ বা লোকসান ব্যতিরেকে, তাই এই একাউন্ট এ একজন ট্রেডার তার সকল ধরনের স্ট্রেটিজির প্রয়োগ করতে পারে এবং ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব ভার্চুয়াল ডলার এর মাধ্যমে। এটি ফরেক্স ট্রেডিং এ কিভাবে ট্রেড ওপেন করতে হয়, ট্রেড থেকে এক্সিট করতে হয়, প্রফিট টার্গেট এবং ঝুঁকির টার্গেট সেট করা ইত্যাদি বিষয়গুলো নিজস্ব অর্থে ঝুঁকি না নিয়েও শিক্ষা লাভ করা যায়।

কিভাবে একটি ফরেক্স একাউন্ট ওপেন করতে হয়, এই আর্টিকেলটিতে রয়েছে তার বিস্তারিত বর্ননা।

কেন ফরেক্স ট্রেড করবেন?

ফরেক্স ট্রেডিং এর অনেক সুবিধা রয়েছে অন্যান্য মার্কেট এর তুলনায়, নিচে বিস্তারিতঃ

লেনদেন ব্যয় তুলনামূলক অনেক কমঃ সাধারণত ফরেক্স ব্রোকারগুলোর প্রধান আয়ের মাধ্যম হল ট্রেড ওপেন এবং ক্লোজ করার সময় যে স্প্রেড কেটে নেয়া হয় তা থেকে, কিছু ব্রোকার অল্প কিছু চার্জও কাটে যা খুবই সামান্য, যদি শেয়ার মার্কেট এর সাথে তুলনা করা হয় যেখানে অধিক কমিশন চার্জ করা হয়।

লো স্প্রেডঃ বিড এবং আস্ক প্রাইজ এর মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে তা একেবারেই কম বিশেষ করে মেজর ট্রেডিং পেয়ারগুলোতে কারন এদের লিকুইডিটি অনেক বেশী থাকে। যার ফলে ফরেক্স ট্রেডিং এ খুবই কম খরচেই ট্রেড ওপেন করা যায় যার ফলে পক্ষে ট্রেড মুব করলেই প্রফিট হয়।

একাধিকভাবে প্রফিট করার সু্যোগঃ ফরেক্স ট্রেডিং এ ট্রেডারগন কারেন্সি বৃদ্ধি এবং কমা যাই হোক ট্রেড নেয়ার সু্যোগ পায়। এছাড়াও লাভজনক ট্রেডিং এর জন্য ট্রেডারদের বাছাই করার জন্য অনেক কারেন্সি পেয়ার রয়েছে।

লেভারেজ ট্রেডিংঃ ফরেক্স ট্রেডিং এ লেভারেজ এর ব্যবহার করা সম্ভব, যার ফলে একজন ট্রেডারকে ট্রেড করার জন্য সম্পূর্ণ অর্থই ডিপোজিট করার প্রয়োজন পড়ে না, তার বদলে গোটা ট্রেড পজিশন এর সামান্য কিছু পরিমাণ ট্রেডিং একাউন্ট এ জমা রাখলেই চলবে। যার ফলে লাভ এর সম্ভাবনাও অধিক হয়। যদিও বিয়িং এ ট্রেডার এ আমরা পরামর্শ দেই লেভারেজ কম ব্যবহার কারণ লাভ এর সাথে সাথে লস এর সম্ভাবনা অধিক থাকে। নতুন ট্রেডারদের জন্য লেভারেজ ১ঃ১০ এর অধিক ব্যবহার করা উচিত নয়।

ফরেক্স ট্রেডিং এ নতুন হলে আমাদের এই আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন মার্কেট সম্পর্কে বিশদ ধারণা লাভ করতে এবং ট্রেডিং এ সফল ক্যারিয়ার গঠন করতে।

একনজরে ফরেক্স ট্রেডিং এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু টার্মস

বেস কারেন্সিঃ এটি হচ্ছে যে কোন কারেন্সি পেয়ার এর প্রথম কারেন্সি। USD/CHF এই পেয়ার এ বেস কারেন্সি হল ইউএস ডলার।

কাউন্টার কারেন্সি/ কোট কারেন্সিঃ এটি হচ্ছে পেয়ার এর দ্বিতীয় কারেন্সি,যা দ্বারা পেয়ার এর প্রথম কারেন্সির প্রাইজ উল্লেখ্য করা হয়। USD/CHF এর ক্ষেত্রে এটি হচ্ছে সুইস ফ্রান্ক।

বিডঃ বিড প্রাইজ হলো যে প্রাইজ এ ব্রোকার, বিপরীত/ কোট কারেন্সির বিনিময়ে বেস কারেন্সি কিনতে আগ্রহী। যার মানে হলো বিড প্রাইজ হল কোন ট্রেডার এর জন্য, মার্কেট এ সেল করার সর্বোত্তম প্রাইজ। আপনি যদি কোন কারেন্সি বিক্রি করতে চান তাহলে ব্রোকার আপনার কাছ থেকে বিড প্রাইজ এ কিনে নিবে।

আস্ক প্রাইজঃ হল যে প্রাইজ এ আপনার ব্রোকার কোট কারেন্সির বিনিময়ে বেস কারেন্সি বিক্রয় করতে আগ্রহী। আস্ক প্রাইজ হল মার্কেট থেকে কোন কারেন্সি ক্রয় করার জন্য সর্বোত্তম প্রাইজ। আস্ক প্রাইজ কে অফার প্রাইজও বলা হয়। আপনি যদি কোন কারেন্সি ক্রয় করতে আগ্রহী হন তাহলে ব্রোকার আপনার কাছে তা বিক্রয় করবে আস্ক প্রাইজ এ।

স্প্রেডঃ বিড প্রাইজ এবং আস্ক প্রাইজ এর মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে তাই হল স্প্রেড। যেখানে ফরেক্স মার্কেট এর যে স্প্রেড তার সাথে ব্রোকার এর অতিরিক্ত স্প্রেড যোগ করে প্রদর্শীত করে।

পিপস/ পয়েন্টঃ পিপস বা পয়েন্ট হচ্ছে দশমিক এর পর চতুর্থ ঘরে যে সংখ্যা। শুধুমাত্র জাপানিজ ইয়েন এর পেয়ার গুলোতে দশমিক এর পর দ্বিতীয় সংখ্যা হচ্ছে পিপস। ট্রেডার গন কোন কারেন্সি পেয়ার এর মুবমেন্টকে পিপস এই উল্লেখ্য করে যেমন EUR/USD পেয়ার আজ ৮০ পিপস মুব করেছে।

লেভারেজঃ লেভারেজ ট্রেডারদের তাদের নেয়া ট্রেড পজিশন এর বিপরীতে সামান্য কিছু পরিমাণ বিনিয়োগ এর বিনিময়ে ট্রেড করার সু্যোগ প্রদান করে। লেভারেজ এর ফলে একজন ট্রেডার তার অল্প বিনিয়োগ এর মাধ্যমে বড় পজিশন নেয়ার সু্যোগ পায়। লেভারেজ লস এবং লাভ দুটোর পরিমানই বৃদ্ধি করে।

মার্জিনঃ এটি একটি লিভারেজড পজিশন ওপেন করতে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ এবং পজিশন এর সম্পূর্ণ মূল্য এবং ব্রোকার দ্বারা ট্রেডারকে যে লোন দেওয়া হয় তার মধ্যে পার্থক্য।

মার্জিন কলঃ যখন মোট পুঁজি ব্যবহৃত হওয়ার পরও কোন লাভ বা ক্ষতির যোগ বা বিয়োগ, একটি নির্দিষ্ট স্তরের নিচে নেমে যায়, এই অবস্থাকে বলা হয় মার্জিন কল (যখন আরও মার্জিন প্রয়োজন)।

লিকুইডিটিঃ একটি কারেন্সি পেয়ার লিকুইড বলা হয় তখনই যখন এর পর্যাপ্ত বায়ার এবং সেলার থাকে যার ফলে সহজেই ক্রয় বা বিক্রয় করা যায়।

ফরেক্স সঠিকভাবে শিখতে এবং ফরেক্স ট্রেডিং এর সাথে পথ চলতে আমাদের রয়েছে ফ্রি আর্টিকেল’স যা থেকে আপনি একেবারে শুরু থেকেই মার্কেট সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে অর্থ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং ট্রেডিং শুরু করতে পারেন।

ট্রেডিং চলাকালীন সময়ে একজন ট্রেডার এর মনে যে ভাবনা চিন্তার উদয় হয় তাও আমরা অনেক ট্রেডারদের সাথে আলোচনা করে তার প্রধান অংশগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি যাতে করে আপনিও সেই একই সময় কি কি ভাবনা এড়িয়ে চলবেন, কি কি করা থেকে বিরত থাকবেন তার বিস্তারিত বর্ননাও পাবেন বিয়িং এ ট্রেডার এ।

ভিবিন্ন ট্রেডিং স্ট্রেটিজি নিয়েও আপনি ধারনা লাভ করতে পারেন যার আলোকে
আপনি আপনার নিজ্বস ট্রেডিং স্ট্রেটিজিও তৈরি করতে পারেন।

ফরেক্স ট্রেডিং সম্পর্কিত কিছু সাধারন প্রশ্ন এবং সেগুলোর উত্তর

ফরেক্স ট্রেডিং কি?

ফরেক্স ট্রেডিং হচ্ছে এক কারেন্সির সাথে অন্য আরেকটি কারেন্সির বিনিময়। ফরেক্সে এক কারেন্সির সাথে আরেকটি কারেন্সি পেয়ার এ থাকে। কারন একটি কারেন্সির মূল্য নির্ধারন এর জন্য অন্য আরেকটি কারেন্সির সাথেই তুলনা করতে হয়। উদাহরন হিসেবে ব্রিটিশ পাউন্ড , ইউ এস ডলার এর সাথে, জাপানিজ ইয়েন ক্যানাডিয়ান ডলার এর সাথে, বা নিউজিল্যান্ড ডলার অস্ট্রেলিয়ান ডলার এর বিপরীতে এমন অনেক কারেন্সি পেয়ার রয়েছে ফরেক্সে।

মানুষ ফরেক্স ট্রেড কেন করে?

এর সবচেয়ে জনপ্রিয় উত্তর হল, ফরেক্স ট্রেডারগনের মূল উদ্দেশ্য হল প্রফিট লাভ করার প্রত্যাশা। তুলনামূলক কম মূল্যে ক্রয় করে অধিক মূল্যে বিক্রয় অথবা অধিক প্রাইজ শর্ট এ অবস্থান নিয়ে প্রাইজ কমলে ট্রেড থেকে এক্সিট করা।

যদিও এর মাধ্যমে সকল ট্রেডারদের ফরেক্সে অংগ্রহন এর কারন বর্ননা করা হয় না, যেমন হেজারগন বা প্রতিষ্ঠানগুলো, কারেন্সির বিনিময় হার এর অধিক পরিবর্তন যাতে তাদের ব্যবসার জন্য অনেক বড় লোকসান এর কারন না হয় সেই জন্য ফরেক্স মার্কেট এ অংশগ্রহন করে। উদাহরন হিসেবে বড় কোম্পানি মার্সিডিজকে লক্ষ্য করা যায় যদি তারা তাদের সকল পূঁজি ইয়োরেতে বিনিয়োগ করে আর কোন কারনে এর বিনিময় হার খুব কমে যায় তাহলে তার প্রভাব তাদের বৈশ্বিক ব্যবসায়ের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে যা তাদের জন্য সার্বিকভাবে ক্ষতিকর।

কিভাবে একজন ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করতে পারেন?

যখন কেউ নতুন করে ফরেক্স ট্রেডিং শুরু করতে চায় তাহলে প্রথমেই তাকে নিজ্বস পূঁজি বিনিয়োগ করে শুরু করার প্রয়োজন নেই তিনি চাইলেই ডেমো একাউন্ট এর মাধ্যমে ট্রেড শুরু করতে পারেন। যেখানে তিনি রিয়েল ফান্ড দিয়ে ট্রেড করলে যেভাবে করতে পারতেন একইভাবে ট্রেড করতে পারবেন, ট্রেড এন্ট্রি, এক্সিট, কিভাবে টার্গেট সেট করতে, রিস্ক ম্যান্যাজমেন্ট কি ইত্যাদি সকল বিষয়।

এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল কোন ধরনের অর্থ ঝুকি ছাড়াই আপনি আপনার ট্রেডিং স্ট্রেটিজি তৈরি এবং যাচাই, বাছাই,পরিবর্তন, পরিবর্ধন করতে পারে। যা আপনার ট্রেডিং ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হবে।

ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য সর্বোত্তম পদ্ধতি কোনটি?

ফরেক্স ট্রেডিং এর জন্য এমন কোন সার্বজনীন স্টেট্রিজি নেই যার অবস্থান সবগুলোর উর্দ্ধে, অধিকাংশ ফরেক্স ট্রেডার এর জন্য মূল হচ্ছে যে কোনটি তাদের জন্য ভালোভাবে কাজ করে তা সন্ধান করা, কারন সকলের জন্য একই স্ট্রেটিজি সঠিকভাবে কাজ করে না।

যারা শর্ট টার্ম ট্রেডার তারা হয়তো পাঁচ মিনিটের চার্টে ট্রেড করেন, যেখানে একজন দীর্ঘ সময়ের ট্রেডার দিনে এক দুইবার প্রাইজ চার্ট লক্ষ্য করেন। তাই কোন ভাবেই কোন একটি পদ্ধতি ফরেক্স ট্রেডিং এর সাথে যায় না।

ট্রেড শুরু করার পূর্বে যে ১৩ টি প্রশ্নের উত্তর জানা প্রয়োজন, আমাদের যে আর্টিকেলটি রয়েছে তা পড়লে আপনি ধারনা লাভ করতে পারবেন।